একজন ছালিক বা মুরীদের কাছে স্বীয় শায়েখ উনার মর্যাদা সর্বোচ্চ।

পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফে পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বছর তথা আজীবনব্যাপী সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানিত মাহফিল মুবারক উনার ইন্তিযাম। সুবহানাল্লাহ! বিস্তারিত জানতে ছবির উপর ক্লিক করুন

eid-mubarak-animation

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ'যম মামদুহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম।

একবার সুলতানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ্ খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্‌তী আজমিরী, সানজিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি দিল্লীতে তাশরীফ আনলেন। উনার একান্ত মুরীদ ও প্রধান খলীফা সুলতানুল আরিফীন খাজা কুতুবুদ্দীন বখ্‌তিয়ার

This slideshow requires JavaScript.

কাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হুজরায় তিনি অবস্থান গ্রহণ করলেন। তখন স্বীয় শায়েখ উনার নিকট হযরত বখ্‌তিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরজি পেশ করলেন, হে শায়েখ আপনি যদি অনুমতি দেন আমি আপনাকে আমার
একজন একান্ত স্নেহের মুরীদকে স্বাক্ষাত করাবো।

বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

আরবী ভাষায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাইয়াত মুবারক

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাজদীদ মুবারক- ‘নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণে আরবী ভাষায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাইয়াত মুবারক করানো’
72941044_2916124465082897_670574648378785792_n
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একখানা বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাজদীদ মুবারক হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণে আরবী ভাষায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বায়াত মুবারক করানো। সুবহানাল্লাহ! আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণে ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত ও পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ) মুতাবিক ১৩ই খ¦ামিস ১৩৮৭ শামসী ইয়াওমুস সাব্ত শরীফ থেকে বাংলা ভাষার পরিবর্তে আরবী ভাষায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বায়াত মুবারক করানো শুরু করে এক বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাজদীদী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! নি¤েœ উক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাইয়াত মুবারক উনার আরবী ইবারত মুবারক ও বাংলা উচ্চারণ উল্লেখ করা হলো-
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰنِ الرَّحِـيْمْ اَللّٰهُمَّ اِنِّـىْ اَتُوْبُ اِلَيْهِ مِنْ كُلِّ ذَنْبٍ اَلْـكَبَائِرْ وَالصَّغَائِرْ وَالْـكُفْرْ وَالشِّرْكْ وَالْبِدْعَةْ وَالظَّاهِرِىْ وَالْـبَاطِنِـىْ وَالْاِخْتِيَارِىْ وَبِغَيْـرِ الْاِخْتِيَارِىْ اَسْتَغْفِرُ اللهَ رَبِّ مِنْ كُلِّ ذَنْبٍ وَّاَتُوْبُ اِلَيْهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ الْـعَلِىِّ الْـعَظِيْـمْ لَآ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُـحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهْ اَشْهَدُ اَنْ لَّآ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاَشْهَدُ اَنَّ مُـحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهْ اَللّٰهُمَّ اِنِّـىْ اُبَايِـــعُ عَلـٰى يَدِ سَيِّدِنَا مَـمْدُوْحْ حَضْرَتْ مُرْشِدْ قِبْلَةْ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (مُـحَمَّدْ دِلُّ الرَّحْـمٰنْ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ) اَلَّذِىْ هُوَ مُسْتَفِيْضٌ فِـىْ كُلِّ طَرِيْقَةٍ اَلْقَادِرِيَّةْ وَالْصِشْتِيَّةْ وَالنَّقْشَبَـنْدِيَّةْ وَالْـمُـجَدِّدِ الْعَالِيَةْ وَالْـمُحَـمَّدِيَّةْ.
বাংলা উচ্চারণ: “বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। আল্লাহুম্মা ইন্নী আতূবু ইলাইহি মিন কুল্লি যাম্বেন আল কাবাইর ওয়াছ ছগাইর ওয়াল কুফ্র ওয়াশ্ র্শিক ওয়াল বিদ্য়াত্ ওয়ায্ যাহিরী ওয়াল বাত্বিনী ওয়াল ইখতিয়ারী বিগাইরিল ইখতিয়ারী আস্তাগফিরুল্লাহা রব্বী মিন কুল্লি যাম্বেও ওয়া আতূবু ইলাইহি ওয়ালা হাওলা ওয়ালা ক্বুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহম্মদান ‘আব্দুহূ ওয়া রসূলুহ্ আল্লাহুম্মা ইন্নী উবায়ি‘উ ‘আলা ইয়াদি সাইয়্যিদিনা মামদূহ হযরত মুরশিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মুহম্মদ দিল্লুর রহমান ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাযী হুওয়া মুস্তাফীদ্বুন ফী কুল্লি ত্বরীক্বাতে আল ক্বাদিরিয়্যাহ ওয়াল চিশতিয়্যাহ ওয়ান নাক্বশাবান্দিয়্যাহ ওয়াল মুজাদ্দিদিল ‘আলিয়াহ্ ওয়াল মুহম্মদিয়্যাহ্।”

সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক

পরিচিতি মুবারক:
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতার নাম ছিল হযরত শামউন আলাইহিস সালাম। যিনি ছিলেন মিশরের সম্ভ্রান্ত ক্বিবতি বংশিয় এবং ঈসায়ী ধর্মাবলম্বী। উনার সম্মানিতা মাতা রোমান ঈসায়ী সম্প্রদায়ভূক্ত। তিনি নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নুরুর রবি’ (হযরত ইবরাহিম) আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা মাতা। মিসরের শাসনকর্তা মুকাউকিস উনাকে নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে হাদিয়া হিসাবে প্রেরণ করেছিলেন। কোন কোন বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, তিনি মিশরের শাসনকর্তা মুকাউকিসের চাচাতো বোন ছিলেন।

বিস্তারিত পড়ুন

আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৪শে সফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ্ ছানিয়াহ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ সম্পন্ন হওয়ার দিবস। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ রাত ও দিনগুলো তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিন।’ সুবহানাল্লাহ!
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৪শে সফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ্ ছানিয়াহ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ সম্পন্ন হওয়ার দিবস। সুবহানাল্লাহ!
তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, এ মহাসম্মানিত দিবস যথাযথ তা’যীম-তাকরীমের সাথে উদযাপন করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- এ মহাসম্মানিত দিবস যথাযথ তা’যীম-তাকরীমের সাথে উদযাপনের সার্বিক আনযাম দেয়া এবং উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শ্রেণীর সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা ও উক্ত দিবসে ছুটি ঘোষণা করা।

বিস্তারিত পড়ুন

যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক

কুতুবুল আলম, আমীরুশ শরীয়ত, মাহতাবে তরীকত মাহিউল বিদয়াহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদুয যামান, হুজ্জাতুল ইসলাম, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, তাজুল মুফাসসিরীন, সুলতানুল আরিফীন, আলহাজ্জ হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারকjatara bareee

সম্মানিত পরিচিতি মুবারক

সুলত্বানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ১৩৫২ হিজরী সন মুতাবিক ১৩০১ শামসী (১৯৩৪ ঈসায়ী) চাঁদপুর জেলার (বৃহত্তর কুমিল্লা) অন্তর্গত নানুপুর গ্রামে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার সম্মানিত পিতা উনার নাম শাহছূফী হযরত আহমদ উল্লাহ মুনশী রহমতুল্লাহি আলাইহি ও সম্মানিত মাতা উনার নাম মুছাম্মাত আয়িশা খাতুন রহমতুল্লাহি আলাইহা। সম্মানিত মাতা পিতা উনারা উভয়ে অত্যন্ত পরহিজগার ও আল্লাহওয়ালা ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
সুলত্বানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার বয়স যখন ৬/৭ বৎসর তখন উনার সম্মানিত আব্বাজান তিনি পবিত্র বিছাল শরীফ লাভ করেন। সম্মানিত পিতা উনার বিছাল শরীফ উনার সময় উনারা সাত ভাই ও এক বোন ছিলেন। তিনি ছিলেন ভাইদের মধ্যে ষষ্ঠ অর্থাৎ উনার বড় আরো পাঁচ ভাই এবং উনার ছোট এক ভাই ছিলেন।

বিস্তারিত পড়ুন

মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিরা আবু লাহাবের চেয়ে কোটি কোটিগুণ নিকৃষ্ট

আবু লাহাব একাধারে বারো বছর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করেছিল। মহান আল্লাহ পাক তিনি আবু লাহাব ও তার স্ত্রীসহ পরিবারের সকলের ধ্বংসের ব্যাপারে পবিত্র সূরা লাহাব শরীফ নাযিল করেছেন এবং তারা আযাবে-গযবে ধ্বংস হয়ে জাহান্নামের কীটে পরিণত হয়ে গেছে। তার কুফরী-শিরকী সারা জীবনের সমস্ত আমলকে বরবাদ করে দিয়েছিলো একটি আমল ব্যতীত। আর সেই আমলটি হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি হয়ে হযরত ছুয়াইবা আলাইহাস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করার জন্য আযাদ করে দেয়া। এতোটুকুই ছিল তার আমল।
সে কিন্তু সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে দুনিয়াতে তাশরীফ মুবারক নেয়াতে খুশি প্রকাশ করেনি, বরং সে তার ভ্রাতুষ্পুত্র হিসেবে উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করেছিল। তার এই আমলের জন্য তাকে জাহান্নামের মধ্যে বিশেষ নিয়ামতের ব্যবস্থা করা হয়েছে; যার ফলে সে প্রতি ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ-এ ঠা-া পানি পেয়ে থাকে, যা পান করার কারণে বিগত সপ্তাহের আযাব-গযব অনুভূত হয় না। সুবহানাল্লাহ!

বিস্তারিত পড়ুন

সখী বা দানশীল হওয়া পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্যতম শিক্ষা

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সখী বা দানশীল ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু যদিও সে ব্যক্তি ফাসিক হয়। আর বখীল বা কৃপণ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু যদিও সে ব্যক্তি আবেদ হয়।” (লুগাতুল হাদীছ)
হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে শ্রেষ্ঠ মানুষ হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে এক দিরহাম খরচ করবে, সে জান্নাতে আমার অর্থাৎ হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বন্ধু হবে।” সুবহানাল্লাহ!

বিস্তারিত পড়ুন

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উদযাপন বিশ্ববাসীর জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ এবং নাজাতের উত্তম উসীলা

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ফযল-করম এবং রহমত হিসেবে উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন, সেজন্য তারা যেন খুশি প্রকাশ করে। এই খুশি প্রকাশ করাটা সবকিছু থেকে উত্তম, যা তারা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে।’ (পবিত্র সূরা ইউনূছ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৮)

বিস্তারিত পড়ুন

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছোল ফযীলত

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে স্বয়ং সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ رَّبِيْعِ الْاَوَّلِ بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ اَنْفَقَ دِرْهَـمًا فِـىْ مَوْلِدِىْ اِكْرَامًا فَكَاَنَّـمَا اَنْفَقَ جَبَلًا مِّنْ ذَهَبٍ اَحْمَرَ فِـى الْيَتَامٰى فِـىْ سَبِيْلِ اللهِ تَعَالٰى
অর্থ: যে আমার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস অর্থাৎ ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পালন করতঃ উনার সম্মানার্থে খাবারের ইন্তিজাম করবে, আমি ঐ ব্যক্তিকে ক্বিয়ামতের দিন শাফায়াত করবো। আর যে আমার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস পালন করতঃ উনার সম্মানার্থে এক দিরহাম খরচ করবে, সে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় ইয়াতীমদের জন্য এক পাহাড় পরিমাণ লাল স্বর্ণ দান করার ফযীলত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা, মাখতূত ১ম পৃষ্ঠা, তালহীনুছ ছাননাজ ৫ পৃষ্ঠা, আম্বরিয়া পৃষ্ঠা ৮)

ফুরফুরা শরীফের মুজাদ্দিদে যামান আমীরুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত মুহইস সুন্নাহ হযরত মাওলানা শাহ ছুফী মুহম্মদ আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক

ফুরফুরা শরীফের মুজাদ্দিদে যামান আমীরুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত মুহইস সুন্নাহ হযরত মাওলানা শাহ ছুফী মুহম্মদ আবূ বকর ছিদ্দীক্বী

15350612_327073887676373_1200810222715641969_n-480x330

ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক
মুহম্মদ আবুল হাসান
২৫ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪০
পবিত্র বিলাদত শরীফ:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হিজরী ১২৬৩ সনে হুগলী জিলার ফুরফরা শরীফে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।

বিস্তারিত পড়ুন